হোম News Scroll বাবা অপরাধী হলে ‘ক্রস ফাইয়ার নয়, ব্রাশ ফাইয়ার দেন’ বললেন, পুলিশ দ্বারা...

বাবা অপরাধী হলে ‘ক্রস ফাইয়ার নয়, ব্রাশ ফাইয়ার দেন’ বললেন, পুলিশ দ্বারা নির্যাতনের শীকার সাংবাদিক ফরিদুল কণ্যা সুমাইয়া (ভিডিও)

176
0

নিউজ ডেস্ক: পুলিশের বিরুদ্ধে দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের জেরে কক্সবাজার বানী পত্রিকার সম্পাদককে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে। শুধু মামলা দিয়েই নয় তার পরিবারকে নানাভাবে হয়রানি করছে টেকনাফ থানার ওসি প্রদিপ কুমার দাস ও সাবেক ওসি ফারি উদ্দিন খন্দকার। বিনা ওয়ারেন্টে ঢাকা থেকে ধরে নিয়ে টেকনাফ থানায় ৩ দিন আটকে রেখে অমানুষিক নির্যাতনের পর মিথ্যা মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খানকে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) সকালে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন মিলনায়তনে আয়োজি সংবাদ সম্মেলনে ফরিদুল মোস্তফার মেয়ে সুমাইয়া মোস্তফা খান কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, তার বাবা আলোকিত সমাজ গঠনের বিভিন্ন সময় অনিয়ম দুর্নীতির খবর প্রকাশ করে আসছেন। তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে পুলিশের অপরাধ ঢাকার চেষ্টা হচ্ছে।
বাবা দোষী হলে তাকেও বিচারেরর আওতায় আনার দাবি জানিয়ে সুমাইয়া বলেন, বাবা অপরাধী হলে ‘ক্রস ফাইয়ার নয় ব্রাশ ফাইয়ার দেন’। তাদের পরিবারের কেউ কোনো মামলার আসামী নয়। কখনো তারা কোনো অনিয়মে জড়াননি। এরপরও পুলিশ ঠান্ডা মাথায় তারা বাবাকে মামলা দিয়ে সমাজে তাদের পরিবারটিকে হেয় করেছে। বর্তমানে তারা পুলিশের ভয়ে নিজ বাড়ি ছেড়ে বিভিন্ন আত্মীয় স্বজনের বাসায় থাকছেন। তারা বাবার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহর করে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের নির্যাতনের বিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সরকারের কাছেও দাবি জানান সুমাইয়া।
স্ত্রী হাসিনা আক্তার জানান, তার স্বামী একজন নির্ভিক সাংবাদিক। বিভিন্ন সময় টেকনাফ থানার ওসিসহ পুলিশ সদস্যদের নানান অনিয়ম ও দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করেছেন। এ কারণে তাকে গত ২১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুর এলাকার বাসা থেকে ধরে নিয়ে শারীরিক নির্যাতন করে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি ফরিদুল কারাগারে মেডিকেলে চিকিৎসাধীন আছেন। তার চোখে মরিচের গুড়া দিয়ে নির্যাতন করায় বর্তমানে দুটি চোখই নষ্ট হবার উপক্রম হয়েছে। এছাড়া তার হাত-পা ভেঙ্গে দিয়েছে পুলিশ। চিকিৎসক জানিয়েছেন তার একচোখ একেবারে অকেজো হয়ে যেতে পারে।
হাসিনা আক্তার আরো বলেন, কক্সবাজার থাকা অবস্থায় পুলিশের নানান হয়রানির বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর প্তরে অভিযোগ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশী হয়রানি থেকে রেহাই পেতে কক্সবাজার ছেড়ে ঢাকায় এসে থাকতেন ফরিদুল। আর এ সুযোগে টেকনাফ থানা পুলিশ তার বাড়িতে গিয়ে মোস্তফার আত্মীয় স্বজনদের হয়রানি করে। বর্তমানেও এ হয়রানি অব্যাহত রয়েছে।

রিপ্লাই করুণ

Please enter your comment!
Please enter your name here