হোম চট্টগ্রাম বিভাগ বনভুমির জায়গা দখল করে রাজকীয় দালান নির্মাণ

বনভুমির জায়গা দখল করে রাজকীয় দালান নির্মাণ

276
0

নিজস্ব প্রতিনিধি : রামু উপজেলার উপকূলীয় এলাকা হিমছড়ি পেঁচারদ্বীপে বন বিভাগের জমি অবৈধ ভাবে দখল করে দালান নির্মাণ করে রাজকিয় বসাবাস শুরু করার অভিযোগ উঠেছে ছলিমুল্লা গুরামিয়া সহ অনেকে বিরোদ্ধে। সে পেঁচারদ্বীপে মৃত পেঠান আলীর ছেলে বলেও জানা যায়।

জানাযায়, পেঁচারদ্বীপে এলাকায় গুরামিয়া ভূমিহীন পরিবারে জন্ম নিয়ে হঠাৎ বন ভুমির জায়গায় দালান নির্মাণ করেছে রাজকিয় ভাবে । অবৈধ ভাবে পাহাড় দখল করে চালাচ্ছে জমিদারী। প্রভাব বিস্তার করে মানুষকে জিম্মি করে চলাফেরা জনেমনে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। ছলিমুল্লা গুরামিয়া বিগত বছর কয়েক আগে সাগরে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করত। সেই ছলিমুল্লা গুরামিয়া হঠাৎ কিভাবে এতটাকার মালিক বনে গেল এমন প্রশ্ন স্হানীয়দের। ছলিমুল্লা গুরা মিয়ার সাথে রয়েছে স্হানীয় আরোকিছু দখল দার। গুরামিয়ার প্রভাব বিস্তার বেশি দেখা দেওয়া তাকে নিয়েই প্রশ্নের সৃষ্টি হয়। গুরামিয়া নামের লোকটি মাঝে মাঝে নিজেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের পেঁচারদ্বীপ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও পরিচয় দেয় বলে জানান স্হানীয়রা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জেলে জানান, রেজুনদীর তীরে ও সমুদ্রে বৈধ সময়ে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেদেরকে জিম্মি করে তাদের কাঁছ থেকে প্রতি মাসে চাঁদা আদায় করে ছলিমুল্লা গুরামিয়া। ভুক্তভোগী আরো জানান চাঁদা নেওয়ার কথা প্রকাশ করলে সমুদ্রে মাছ ধরতে দেওয়া হবে না বলে প্রতি নিয়ত হুমকি দিত গুরা মিয়া। উপকূলীয় জেলেরা গুরামিয়ার কাঁছে জিম্মি হয়ে রয়েছে ।

কাঁন্না জড়িত কন্ঠে আরেক জেলে জানান, গুরামিয়া তার ট্রলারে থাকা পাঁচ টি মাছ ধরার জাল নিয়ে যায়, অসহায় জেলে গুরামিয়া কে মোটোফোনে কল করলে দেখা করার কথা বলে রেজুনদীর তীরে ডেকে নিয়ে ১ লক্ষ্য ৮২ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে। অসহায় জেলে টাকা দিতে না পারলে তার জাল গুলো বাহিরে বিক্রি করে টাকা নিয়ে যায় গুরা মিয়া।

এমন কি গুরামিয়ার টাকার জোরে স্হানীয় গরিব দুঃখি মানুষের উপর বার বার নির্যাতন চালিয়ে যাচেছ বলেও জানায়। গুরামিয়া বিরুদ্ধে প্রবাসীর স্ত্রীদের অবৈধ প্রস্তাব দেওয়ার কথাও বলেছে স্হানীয়রা। পেঁচারদীপ এলেকার এক প্রবাসীর স্ত্রীকে কৌশলে শীলতাহানী করার সময় স্হানীয়রা গুরামিয়া কে হাতে নাতে ধরার কথাও জানান এলাকাবাসী।

স্হানীয়রা আরো জানান, গুরামিয়া প্রশাসনের ভয় দেখিয়ে নিজেকে কোস্ট গার্ডের ইনচার্জ দাবী করে। বিভিন্ন অবৈধ কাজে সহযোগিতা করে লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা আয় করে।

অবৈধ ভাবে বন বিভাগের জমি দখল করে দালান নির্মাণ করার ব্যাপারে জানতে গুরামিয়া কে মোটোফোনে কল করা হলে, সে রিসিভ করে নিজেকে ব্যস্ত বলে ফোন কেটে দেওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

পেঁচারদ্বীপের স্হানীয় মেম্বার কামাল হোসেনের কাছে গুরামিয়ার ব্যাপারে জানতে মোটোফোনে কল দেওয়া হলে, তিনি তার অপকর্মের কথা সত্য বলে জানান।

ধুয়াপালং রেঞ্জের বিট অফিসার সাজ্জাদ বলেন, তারা গুরামিয়া কে অনেকবার বাধা দিয়েছে। কিন্তু গুরামিয়া বাধা অমান্য করে কিভাবে দালান নির্মাণ করেছে তা তারা খতিয়ে দেখে ব্যবস্তা নেবে বলে জানান।

কোস্ট গাড ইনচাজকে ফোনে করা হলে মোবাইল বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

রিপ্লাই করুণ

Please enter your comment!
Please enter your name here